
Details:
- Brand
- Rajarhat | রাজার হাট
Description
সরিষার বীজ থেকে যে তেল উৎপাদিত হয় তার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না, আগেই বলা হয়েছে এটি প্রাচীন কাল থেকেই ভেষজ হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক এই তেল ব্যবহারের ফলে আমরা যেসব উপকারিতা পেতে পারি।
শরীরের ব্যথা কমাতে
বেশিরভাগ মানুষই সরিষার তেল ব্যবহার করেন শরীরের ব্যথা কমাতে। এর মধ্যে থাকা Anti-inflammatory Properties ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ও রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। হাঁটু ব্যথা , বাতের ব্যথা ইত্যাদি কমাতে এটি দারুন কাজ করে।
অ্যাজমা রোগে
অ্যাজমা রোগীদের জন্য সরিষার তেল খুবই উপকারী। রোগীর যদি হঠাৎ অ্যাজমা অ্যাটাক হয় তাহলে সরিষার তেল বুকে ঘষলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও নিয়মিত সরিষার তেল মালিশ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
হৃদপিন্ড ঠিক রাখতে
সরিষার তেলে রয়েছে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড যা ৫০% হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি দেহে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) সৃষ্টি করে যা উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও সরিষার তেল হচ্ছে ওলেইক এসিড সমৃদ্ধ এবং এর মধ্যে আছে লিনোলোনিক ও লিনোলেইক এসিডের মাত্রার ভারসাম্য যেগুলো হার্টের পক্ষে অনেক ভালো।
ক্যান্সার প্রতিরোধে
ক্যান্সার নিঃসন্দেহে একটি মরণব্যাধি। এর থেকে সবাই বেঁচে থাকতে চায়। আর এই ক্যান্সার প্রতিরোধে একটু হলেও সহায়তা করে সরিষার তেল। অবাক হচ্ছেন? কিন্তু এটা সত্যি। গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে অ্যালিল আইসোথিওসায়ানেট নামক উপাদান থাকে যা ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে দেহকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
শরীরের ব্যথা কমাতে
বেশিরভাগ মানুষই সরিষার তেল ব্যবহার করেন শরীরের ব্যথা কমাতে। এর মধ্যে থাকা Anti-inflammatory Properties ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ও রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। হাঁটু ব্যথা , বাতের ব্যথা ইত্যাদি কমাতে এটি দারুন কাজ করে।
অ্যাজমা রোগে
অ্যাজমা রোগীদের জন্য সরিষার তেল খুবই উপকারী। রোগীর যদি হঠাৎ অ্যাজমা অ্যাটাক হয় তাহলে সরিষার তেল বুকে ঘষলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও নিয়মিত সরিষার তেল মালিশ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
হৃদপিন্ড ঠিক রাখতে
সরিষার তেলে রয়েছে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড যা ৫০% হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি দেহে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) সৃষ্টি করে যা উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও সরিষার তেল হচ্ছে ওলেইক এসিড সমৃদ্ধ এবং এর মধ্যে আছে লিনোলোনিক ও লিনোলেইক এসিডের মাত্রার ভারসাম্য যেগুলো হার্টের পক্ষে অনেক ভালো।
ক্যান্সার প্রতিরোধে
ক্যান্সার নিঃসন্দেহে একটি মরণব্যাধি। এর থেকে সবাই বেঁচে থাকতে চায়। আর এই ক্যান্সার প্রতিরোধে একটু হলেও সহায়তা করে সরিষার তেল। অবাক হচ্ছেন? কিন্তু এটা সত্যি। গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে অ্যালিল আইসোথিওসায়ানেট নামক উপাদান থাকে যা ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে দেহকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।





